মোদীর বিরুদ্ধে ফের খড়্গহস্ত কংগ্রেস। গুজরাট নির্বাচনের মুখে শিশুদের দিয়ে ভোটপ্রচার করার অভিযোগে মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনে (ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটস) অভিযোগ ঠুকল দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দলটি৷ এদিন দলের মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনতে জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনে মোদীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। শ্রীনতের দাবি, গুজরাটে ভোট পেতে এতটাই মরীয়া হয়ে উঠেছে বিজেপি, যে জনতার নজর কাড়তে ছোট শিশুদের প্রচারে নামিয়েছে তারা। এতে মদত দিচ্ছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী(PM Narendra Modi)। রাজনৈতিক ভোটপ্রচারে শিশুদের দিয়ে প্রচার করানো গর্হিত অপরাধ এবং নির্বাচন কমিশনের নীতি অনুযায়ী তা নির্বাচনের আদর্শ আচরণ বিধির পরিপন্থী৷বিতর্কের সূত্রপাত সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি ভিডিও কেন্দ্র করে। গুজরাতে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার সেরে, সম্প্রতি সাত বছর বয়সী একটি মেয়ের সঙ্গে দেখা করেন মোদী। সেই সাক্ষাতের একটি ভিডিও গুজরাত জুড়ে ভাইরাল হয়েছে। বিজেপির নেতা-কর্মীরা সেটি দেদার টুইট করছেন। ভিডিওতে দেখা যায় সাত বছরের বাচ্চাটি বিজেপির হয়ে গলা ফাটাচ্ছে, পাশে হাসিমুখে বসে দারুন খুশ মোদী। মেয়েটি বলছে, গুজরাতে বিজেপিকে কেউ হারাতে পারবে না, গুজরাতে বিজেপিই ফিরবে, বিজেপিই গুজরাতকে রক্ষা করবে। ৫৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মেয়েটি বলছে, গুজরাতে কার্ফু এখন অতীত, কার জন্য? কে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করেছে, কে রাম মন্দির বানাচ্ছে? বলাবাহুল্য সবেতেই বিজেপি, বকলমে মোদীর স্তুতি। ভিডিওর শেষে বিজেপির পাঁচালি গাওয়ার পর মেয়েটিকে আবার ‘সাবাস’ও বলেন মোদী। এতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, বিজেপির উত্তরীয় পরিয়ে সাত বছরের এক বাচ্চাকে দিয়ে ভোটের প্রচার করানো কতটা সঙ্গত? অন্যদিকে, একবারেই চুপ জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন।
