ক্রমেই প্রকট হচ্ছে আর্থিক সংকট, ভুটানে খরচে রাশ

ভুটানে ক্রমেই প্রকট হচ্ছে আর্থিক সংকট। আর তার জেরেই খরচ কমাতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ করল সেদেশের সরকার। শুক্রবার থেকে দেশের সমস্ত সরকারি সংস্থায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ছাপার কাজ। অত্যন্ত জরুরি না হলে সরকারি টাকায় কর্মশালা, বৈঠকেও আর করা যাবে না। আধিকারিকদের বিদেশ সফরেও রাশ টানা হয়েছে। এদিন সকালে সরকারিভাবে খরচ কমানোর নির্দেশ পাঠানো হয়েছে দেশের সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত সংস্থাগুলিতে। ভুটানের(Bhutan) পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন ভারতীয় ব্যবসায়ী সংগঠনগুলি। ফেডারেশন অফ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার সাধারণ সম্পাদক সুরজিৎ পালের ব্যাখ্যা, এই মুহূর্তে ভুটান বড়সড়ো আর্থিক সংকটের মুখে। ইতিমধ্যেই ভুটান ভারত থেকে প্রায় চার শতাংশ আমদানি কমিয়ে দিয়েছে। খাদ্যদ্রব্য ছাড়া সেভাবে কোনও প্রসাধনী দ্রব্য আমদানি করছে না। ভুটানের উপর ভারতের বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের বহু ব্যবসায়ী নির্ভরশীল। ফলে সেদেশের আর্থিক পরিস্থিতির অবনতি অশনিসংকেত দিচ্ছে। আমরা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছি। সিআইআই-এর উত্তরবঙ্গ আঞ্চলিক কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান প্রদীপ আগরওয়ালের কথায়, ভুটানে ব্যবসা কমে যাওয়ায় ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বড়সড়ো ক্ষতি হয়েছে। ধীরে ধীরে ভুটান যেদিকে এগোচ্ছে তাতে আমরা আশঙ্কায় আছি। ভুটানের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সরকারি সমস্ত দপ্তরের প্রতিদিনের নোটশিট, রিপোর্ট পাঠানো সহ অন্যান্য যাবতীয় কাজ করতে হবে অনলাইনেই। প্রোজেক্ট, কমিটির রিপোর্ট, বিভাগীয় মাসিক বা বাৎসরিক রিপোর্ট, সরকারি নির্দেশিকা, আইনি নির্দেশিকা সহ সবকিছুই তৈরি করতে হবে কম্পিউটারে। সেগুলো সরবরাহও করতে হবে অনলাইনেই। কোনও ক্ষেত্রেই প্রিন্টার ব্যবহার করা যাবে না। ছাপার কাজ পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হবে। তথ্য আদানপ্রদানে বিভাগীয় ওয়েবসাইট, ই-মেল এবং প্রয়োজনে বিভাগীয় সরকারি স্যোশাল মিডিয়া গ্রুপ, পেজ ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।