তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচিতে ফের উত্তেজনা ছড়ালো কান্দির বড়ঞায়। প্রাক্তন ব্লক সভাপতি ও তৃণমূল নেতার প্রবেশ ঘিরেই উত্তেজনা ছড়ায় সোমবার সন্ধ্যায় । বহরমপুরের পর বড়ঞা, অভিষেকের নবজোয়ারে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা। ক্যাম্পের মধ্যেই তৃণমূল বনাম তৃণমূলের সংঘর্ষ, বাইরে ফেলে দেওয়া হল ব্যালট বাক্স
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে সোমবার মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞার কুলিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ে জনসংযোগ যাত্রার অধিবেশন কর্মসূচি ছিল।
ভোট গ্রহণের সময় চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় ভরতপুর ব্লকের আলুগ্রাম বুথে। দলেরই দু’গোষ্ঠীর মধ্যে বচসার জেরে ভোট গ্রহণ বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেয়। অন্যদিকে ভুয়ো ভোটার ইস্যুতে ভোট গ্রহণে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় কুলি পঞ্চায়েতের বুথেও।
বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সদস্য রুণু ঘোষের দাবি, “ফোন গিয়েছিল ভোট দেওয়ার জন্য। কিন্তু লিস্টে সেই সব নাম নেই। নাম না থাকার কারণেই বিক্ষোভ ” তৃণমূলের কর্মীদের একাংশ দাবি করতে থাকে, “তালিকায় অনেক জায়গাতেই বাম, কংগ্রেস, বিজেপি কর্মীদের নাম চলে এসেছে। অথচ, সেখানে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের নাম নেই।” এলাকার পুরনো তৃণমূল কর্মীদের নাম বাদ পড়েছে তালিকা থেকে বলে দাবি তাঁদের।
যদিও এ বিষয়ে বড়ঞার সিপিএম নেতা মানুয়ার হোসেন বলেন ” অভিষেক নিজের দায়িত্বে দলের মধ্যে গ্রহণ করেছেন অথচ সেখানে যদি সিপিএম কিংবা কংগ্রেস ঢুকে যায় তার ব্যার্থতা অভিষেক এবং দলকে নিতে হবে । সব যায়গায় সিপিএমের ভূত দেখে লাভ নেই। ”
বিশৃঙ্খলা সামাল দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। শেষমেশ উত্তেজনা সামলাতে আসরে নামতে হয় খোদ অভিষেককে। সোমবারও ধরা পড়ল সেই একই ছবি।
বড়ঞায় বুথ সভাপতিদের উদ্দেশে অভিষেক বলেন, “যারা এই সভায় এসে. খন আসে তখন নদীর পারে আবর্জনা থাকে সেগুলো চলে যায়। অনেক আবর্জনা আছে সেগুলো যেন গঙ্গায় ফেলে দেওয়া যায়, তার জন্যই নব জোয়ার কর্মসূচি চলছে। “
