বিজেপির রাজ্য সভাপতি হতে পারেন শুভেন্দু, বড় দায়িত্ব পেতে পারেন দিলীপ ঘোষও

বিজেপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে একটি রফা ফর্মূলার খসড়া তৈরি করেছেন গেরুয়া শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বাংলায় বিজেপির ‘বিবাদমান তিন গোষ্ঠী’র সঙ্গে কথা বলেই ওই ফর্মূলা চূড়ান্ত করার কাজ শুরু করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) ও জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। তবে এই রফা ফর্মূলায় ঢুকতে রাজি হননি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। নাড্ডাদের তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘তিনপক্ষকে বুঝিয়ে ফর্মূলা চূড়ান্ত হলে মন্ত্রিসভায় কাদের নাম যাবে ও কারা বাদ পড়বেন সেটুকু আমায় জানিয়ে দিলেই হবে। আমি নামের তালিকা রাষ্ট্রপতি ভবনে পাঠিয়ে দেব।’ অবশ‌্য মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত বঙ্গ বিজেপির তিন গোষ্ঠীর নেতা, দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারীদের সঙ্গে কথা বলে নাড্ডাদের পক্ষে জোড়াতালির ফর্মূলা চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি বলে সূত্রের খবর। দলের তরফে বাংলার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল ও সহকারী পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডেকে ফর্মূলা নিয়ে তিন গোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন নাড্ডা।
পঞ্চায়েত ভোটে দলের শোচনীয় ফলের জেরে ক্ষুব্ধ দিল্লীর কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বঙ্গ বিজেপিতে বড়মাপের রদবদল করতে চলেছেন। সবদিক বিবেচনা করেই শাহ-নাড্ডারা তিন গোষ্ঠীর তিন নেতাকে পৃথকভাবে নতুন তিনটি পদ দিতে চাইছেন। সেক্ষেত্রে নয়া ফর্মূলায় দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারকে পূর্ণমন্ত্রী হিসাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় ও শুভেন্দু অধিকারীকে বঙ্গ বিজেপির সভাপতির আসনে বসাতে চান নাড্ডারা। আর শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) পরিবর্তে বিরোধী দলনেতার পদে দিল্লি নিয়ে আসতে চাইছে শিলিগুড়ির বিধায়ক ও সুবক্তা শংকর ঘোষকে। রদবদলে সমন্বয় রাখতে গিয়ে উত্তরের দুই নেতাকে সরিয়ে নতুন দু’জনকে এবং দক্ষিণবঙ্গের দু’জনকে দায়িত্বে এনে ভারসাম‌্যর ফর্মূলা তৈরি করেছেন নাড্ডারা।