মুহাম্মদ আজহারউদ্দিনের বিরুদ্ধে এফআইআর,’মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রনোদিত’ বললেন প্রাক্তন অধিনায়ক

হায়দরাবাদ ২০অক্টোবর:ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক মুহাম্মদ আজহারউদ্দিনের বিরুদ্ধে হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের তহবিল অপব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে।তিনি হায়দ্রাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন বা এইচ সি এ-র একসময়ের সভাপতি ছিলেন।মুহাম্মদ আজহারউদ্দিন তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রনোদিত বলে অভিহিত করেছেন।তার বিরুদ্ধে এফআইআরও করা হয়েছে।তাতে বলা হয়েছে যে হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের তহবিলের অপব্যবহার ২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে ঘটেছিল। একটি প্রাইভেট ফার্মের ফরেনসিক অডিটের সময় তা প্রকাশ্যে আসে। অডিটে দাবি করা হয়েছে, জিমের সরঞ্জাম, ক্রিকেট বল, অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র এবং বালতি আসন সংগ্রহের সময় তহবিলের অপব্যবহার ঘটেছে।
কথিত আর্থিক ক্ষতির ঘটনা প্রকাশের পর, এইচ সি এ-এর সিইও সুনীল কান্তে বোস মুহম্মদ আজহারউদ্দিন এবং এইচ সি এ-এর অন্যান্য প্রাক্তন পদাধিকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন৷
অভিযোগ জানার পর, মুহাম্মদ আজহারউদ্দিন তার এক্স (পূর্বে টুইটার) হ্যান্ডেলে লিখেছেন, উপযুক্ত সময়ে তার বিরুদ্ধে ‘অনুপ্রাণিত’ অভিযোগের জবাব তিনি দেবেন। তিনি আরও বলেছেন, “আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য আমার প্রতিদ্বন্দ্বীদের এটি একটি স্টান্ট।”
মুহম্মদ আজহারউদ্দিন সম্প্রতি জুবিলি হিলস কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের হয়ে আসন্ন তেলেঙ্গানা বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
এইচসিএ বিতর্কের পর তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা নথিভুক্ত করার পরে কংগ্রেস ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ককে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবেও আর বিবেচনা করছে না বলে জানা গেছে।
হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে লড়তে চেয়েছিলেন মহম্মদ আজহারউদ্দিন। সংস্থার সভাপতি পদেই লড়াই করতে চেয়েছিলেন প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক। ক্রিকেট প্রশাসনকে দুর্নীতি মুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন আজহারউদ্দিন।আজহারউদ্দিন আরও বলেছেন, ‘‘আমি কোনও ক্লাবের কর্তা নই। কোনও ক্লাবের মালিকও নই। প্রাক্তন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসাবে আমি নির্বাচনে লড়াই করতে পারব।’’ এবার এক দিনের বিশ্বকাপের তিনটি ম্যাচের আয়োজন করেছে হায়দারাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন।
এদিকে হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে লড়তে পারবেন না আজহার। কারণ হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের ভোটার তালিকা থেকে তার নাম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ নির্বাচনে আর অংশ নিতে পারবেন না তিনি ৷