বেঙ্গালুরু, ১০ নভেম্বর: কলকাতা থেকে বেঙ্গালুরুতে নার্সিং পড়তে গিয়েছিলেন বিবাহিত তরুণী। কিন্তু সেখানে গিয়ে এক যুবকের সঙ্গে প্রণয়ের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে স্বামী সব জানতে পারার পরেই তুমুল অশান্তি শুরু হয়। বেঙ্গালুরুতে একত্রেবাসের আবাসনেই নিজের লিভ ইন পার্টনারের সঙ্গেই গায়ে আগুন দিলেন কলকাতা থেকে বেঙ্গালুরুতে পড়তে যাওয়া দ্বিতীয় বর্ষের নার্স। রবিবারের এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাট থেকে চিৎকার শুনে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় সৌমিনী ও অভিলকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলেই মারা যান সৌমিনী। অভিলকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সোমবার সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।
ঘটনার তদন্তে নেমেছে কোথানুর থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ২০ বছরের তরুণীর নাম সৌমিনী দাস। কলকাতার বাসিন্দা ছিলেন সৌমিনী। নার্সিং পড়তে এসে সেখানেই তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় ২৯ বছর বয়সী অভিল আব্রাহামের সঙ্গে। অভিল কেরলের ইদুক্কির বাসিন্দা। বেঙ্গালুরুর মারাঠাহাল্লিতে একটি বেসরকারি কলেজে নার্সিং পড়ছিলেন সৌমিনী। এই শহরেই একটি নার্সিং পরিষেবা এজেন্সি চালাতেন অভিল। ৩ মাস আগে দু’জনের পরিচয়। সেই সূত্রেই দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর তারা লিভ ইন সম্পর্কে থাকতে শুরু করেন ডোড্ডাকগুব্বি এলাকায় একটি ফ্ল্যাটের ৫ তলায়।
২০২১ সালে সৌমিনীর বিয়ে হয়েছিল, স্বামীর সঙ্গে বনিবনা ছিল না তার। কিছুদিন আগেই কলকাতায় নিজের বাড়িতে এসে অভিলের সঙ্গে সম্পর্কের কথা জানিয়েছিলেন সৌমিনী। স্বামীর কাছ থেকে গার্হস্থ্য নির্যাতনের কথাও পরিবারকে জানান। আর কোনওদিন ফিরবেন না বলে বেঙ্গালুরুতে চলে আসেন সৌমিনী। দাম্পত্যে থেকে বেরিয়ে এসে নতুন করে অভিলের সঙ্গে জীবন শুরু করতে চেয়েছিলেন তিনি। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান এই সম্পর্ক পরিবার মেনে নেয়নি। তার পরেই চরম সিদ্ধান্ত নেন দুজনে।
