রেভান্থ রেড্ডি: এবিভিপি থেকে রাজনীতি শুরু করে বর্তমানে তেলেঙ্গানায় মুখ্যমন্ত্রী পদের শীর্ষ প্রতিযোগী

হায়দরাবাদ ৩ডিসেম্বর:তেলেঙ্গানাতে কংগ্রেস সভাপতি অনুমুলা রেভান্থ রেড্ডি অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) একজন সদস্য থেকে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর পদের শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছেন। কারণ গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি কংগ্রেস দক্ষিণ ভারতে তার অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে। তেলেঙ্গানা বিধানসভা নির্বাচনে জয় পেয়েছে।
কংগ্রেস তেলঙ্গানায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ম্যাজিক সংখ্যা অতিক্রম করেছে এবং কে চন্দ্রশেখর রাও-এর নেতৃত্বাধীন বিআরএস সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চলেছে৷ রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অনুমুলা রেভান্থ রেড্ডিই মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন। যার রাজনৈতিক জীবন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের-এর ছাত্র নেতা হিসেবে শুরু, ঘুষের অভিযোগের মধ্যে পড়ে একবার কারাবাসেও তাকে যেতে হয়। শেষ পর্যন্ত তিনি এখন নিজেকে একজন সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন।
৫৬ বছর বয়সী কংগ্রেস নেতা তার সহকর্মী রাজনীতিবিদ এবং জনগণের মধ্যে তার হার না মানা মনোভাবের জন্য পরিচিত।
এআইএমআইএম সভাপতি আসাদউদ্দিন ওয়াইসি অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের পটভূমি থাকায় এবার নির্বাচনে তার সমালোচনায়ও করেন ।
রেড্ডি যিনি সংক্ষিপ্তভাবে বিআরএস (তৎকালীন টিআরএস)এ ছিলেন। তিনি ২০০৬ সালে জেলা পরিষদ নির্বাচনে সফল হন। তিনি তখন নির্দল প্রার্থী হিসেবে জেলা পরিষদ টেরিটোরিয়াল নির্বাচনে সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
তিনি ২০০৭ সালে অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশের আইন পরিষদে নির্দল প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন।
রেড্ডি টিডিপিতে যোগ দিয়ে দলের প্রধান ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর আস্থাভাজন হয়েছিলেন।
রেড্ডি শিল্পকলায় স্নাতক, ২০০৯ সালে টিডিপির টিকিটে বিধানসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন ।২০১৫ সালে তিনি তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিলেন। যখন তিনি ক্যামেরায় ধরা পড়েছিলেন। একটি বিধান পরিষদ নির্বাচনে টিডিপির পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য মনোনীত বিধায়ককে ঘুষ দেওয়ার তিনি চেষ্টা করেন।
তাকে হায়দরাবাদের জেলে পাঠানো হলেও জামিন পাওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
রেভান্থ রেড্ডি ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিআরএস প্রার্থীর কাছে হেরে যান ।তিনি দিল্লিতে দলের নেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে ২০১৭ সালে টিডিপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন।
রেভান্থ রেড্ডি মালকাজগিরি থেকে ২০১৯ সালের নির্বাচনে লোকসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।