গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় উদ্ধার দিলীপ ঘোষের বুথ এজেন্টের দেহ, খুনের অভিযোগ

একদিকে সন্দেশখালির ‘ভিডিও কাণ্ড’, অন্যদিকে রয়েছে পঞ্চম দফা ভোটের উত্তাপ, সেই আবহেই মন্তেশ্বরে দিলীপ ঘোষের বুথ এজেন্টের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দিলীপ ঘোষের বুথ এজেন্টের দেহ উদ্ধার হয়। তার দেহ দেওয়ালে ঠেস দিয়ে বসানো অবস্থায় ছিল। মৃতের পরনে ছিল পরনে অন্তর্বাস, গলায় গামছা! মৃতের নাম অভিজিৎ দাস (৪০)। মন্তেশ্বরে ১৬৮
নম্বর বুথের বিজেপি এজেন্টের ছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।
অপর একটি ঘটনায় গোসাবার একটি গাছ থেকে এক তৃণমূল কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। গলায় ফাঁস লাগানো ছিল গলাতে। দুটি ঘটনাতেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। মৃত যুবকের নাম তাপস বৈদ্য (৪২)। যথারীতি দুটি ঘটনায় কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

ঘটনায় বিজেপির তরফে তৃণমূলের দিকে অভিযোগ তোলা হচ্ছে। বিজেপির অভিযোগ, ভোটের আগের দিন অভিজিৎ রায়কে হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। ভোটের পর এলাকায় বিজেপি জিতছে, তা বুঝতে পেরেই পরিকল্পনা করে এই খুন। অপরদিকে বিজেপির বক্তব্য, তৃণমূল এই কাজ করেছে। তোতা খান, সাবির খান একদিন আগেও অভিজিৎকে হুমকি দিয়েছে। এবারের ভোটে মানুষ ভোটটা দিতে পেরেছে। ওরা নিশ্চিত বুঝে গিয়েছে হারছে। তাই খুন।”

অন্যদিকে গোসাবা বিধানসভা এলাকার লাহিড়িপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বানিখালির বাসিন্দা ছিলেন তাপস বৈদ্য। এলাকায় তৃণমূল কর্মী বলেই পরিচিত ছিলেন। তাপসের একটা চায়ের দোকান রয়েছে। পরিবারের দাবি, বুধবার রাতে তাপস বাড়িতে ফেরেননি। একাধিক জায়গায় খোঁজ করেও তার হদিশ পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার সকালে থানায় বিষয়টি জানানোও হয়। তারপরই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থলে সুন্দরবন উপকূল থানার পুলিশ।