নয়াদিল্লি ১৬ জানুয়ারি: ভারতের প্রধান বিচারপতি পদে বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছিল। একটি জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল।এই মামলায় আর্থিক জরিমানা করা হয়েছিল আবেদনকারীর। খারিজ করার আদেশের পর্যালোচনা জন্য ফের দিল্লি হাইকোর্টে দায়ের করা হয়েছিল একটি মামলা। সেই মামলাকেও পাত্তা দিলনা হাইকোর্টে। খারিজ করে দেওয়া হল আবেদন। বিচারপতি সঞ্জীব সচদেবা এবং বিচারপতি বিকাশ মহাজনের একটি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ করেছে যে বর্তমান আবেদনটি ‘রিভিউ হিসাবে ছদ্মবেশী’ একটি আপীল এবং ১১ নভেম্বর, ২০২২ তারিখের আগের আদেশটি পর্যালোচনা করার জন্য কোনও ভিত্তি তৈরি হয়নি।
বিচারপতি সঞ্জীব সচদেবা এবং বিচারপতি বিকাশ মহাজনের ডিভিশন বেঞ্চ মামলার রায় দিতে গিয়ে বলেন, খারিজ নির্দেশের বিরুদ্ধে উপযুক্ত কোন প্রমাণ দাখিল করতে পারেননি আবেদনকারী। তাই, পর্যালোচনার আবেদন খারিজ করা হল বলে জানিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে চন্দ্রচূড়ের নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে করা জনস্বার্থ মামলা খারিজের পর দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ পর্যালোচনার জন্য আপিল করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আপিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে শোনা হবে না জানিয়ে দেওয়া হয়। অন্য বেঞ্চে পর্যালোচনার আবেদনের শুনানির জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এর আগে, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে করা হয় একটি জনস্বার্থ মামলা। সঞ্জীবকুমার তিওয়ারি নামে এক ব্যক্তি আবেদন করে জানিয়েছিলেন, বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নিয়োগের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক ব্যবস্থাকে লঙ্ঘন করা হয়েছে। নিয়োগে স্থগিতাদেশ চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু গত ১১ নভেম্বর দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মা ও বিচারপতি সুহ্মমণিয়ম প্রসাদের ডিভিশন বেঞ্চ সেই আবেদন খারিজ করে দেন। রায় দিতে গিয়ে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছিল, প্রচার পাওয়ার জন্য এই আবেদন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আবেদনকারীকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করে হাইকোর্ট। সেই খারিজের সিদ্ধান্তকে পর্যালোচনা করার জন্য নতুন করে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য,গত ১১ অক্টোবর, তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে কেন্দ্রের কাছে বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নাম সুপারিশ করেছিলেন বর্তমান প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিত। মুরসালিন আসজিথ শেখ নামে এক আইনজীবী বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের মনোনয়নকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। এর আগে ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছে রশিদ খান পাঠান নামে জনৈক ব্যক্তি বিচারপতি চন্দ্রচূড়কে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ না করার আবেদন করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল।
