দেশের নাম থেকে কি বাদ যাচ্ছে ‘ইন্ডিয়া?’ জল্পনা তুঙ্গে

সদ্য গঠিত বিরোধী জোটের নামকরণ করা হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’।আর এই নাম নিয়ে দেশজুড়ে যখন বিতর্ক শীর্ষে, ঠিক তখন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পাঠানো নিমন্ত্রণ পত্রে লেখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’। জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আগামী ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে।৯ সেপ্টেম্বর বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান এবং দেশের প্রতিটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নৈশভোজে নিমন্ত্রণ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।নিমন্ত্রণ পত্র সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠছে আসন্ন বিশেষ অধিবেশনে কি দেশের নাম বদল সংক্রান্ত প্রস্তাব পেশ করতে চলেছে মোদি সরকার? দেশ জুড়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু ৯ সেপ্টেম্বর জি২০ সমাবেশে অংশ নেওয়া রাষ্ট্রনেতাদের নৈশভোজে আগমনের জন্য আমন্ত্রণপত্র পাঠান নিমন্ত্রিতদের কাছে।আর সেই আমন্ত্রণপত্রকে কেন্দ্র করেই শোরগোল শুরু হয়েছে জাতীয় রাজনীতিতে। নিয়ম অনুযায়ী ভারতের রাষ্ট্রপতি যদি কাউকে চিঠি লেখেন তাতে চিরাচরিত ভাবে লেখা থাকে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ইন্ডিয়া’ এই কথাটি। কিন্তু জি২০ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী নেতাদের নিমন্ত্রণ পত্রে লেখা রয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’। এই বিষয় সামনে আসার পর প্রশ্ন উঠেছে, হঠাৎ প্রোটকল না মানার কারণ কি? যদিও এই বিষয়ে বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ তার এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘‘তা হলে যেটা শুনেছিলাম, সেটাই সত্যি! আগামী ৯ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি ভবনে জি২০ নেতাদের নৈশভোজের আমন্ত্রণপত্রে লেখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’, অথচ চিরাচরিত ভাবে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ইন্ডিয়া’ লেখাই দস্তুর।’’
তবে শুধু কংগ্রেসই নয় দেশের অন্যান্য বিরোধী দলগুলির মধ্যেও শুরু হয়েছে গুঞ্জন। সংসদের আসন্ন বিশেষ অধিবেশনে কি দেশের নাম ইন্ডিয়া থেকে সব ভাষাতেই ভারত করার প্রস্তাব আনতে চলেছে মোদি সরকার? বিরোধী দলগুলি মনে করছে, মোদি যে বিশেষ অধিবেশন আনছে সেখানে ‘এক দেশ এক ভোট’ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিল আনা হতে পারে।সঙ্গে তারা এও অনুমান করছে সেখানে পরিবর্তন করা হতে পারে দেশের নাম। আর নেপথ্যে অবশ্য রয়েছে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে পাঠানো নিমন্ত্রণ পত্র।