গোরক্ষপুর,২৭ অক্টোবর :দীপাবলিতে আতসবাজি ও পটকা পোড়ানোর কারণে বারুদের গন্ধ পরিবেশকে বিষাক্ত করে তুলেছিল। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন হাঁপানি রোগীরা। তাদের শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরে দীপাবলি এবং এর পরের দিন শ্বাসকষ্টে ২৬৩ জন রোগী জেলা হাসপাতাল এবং বিআরডি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়েছেন। বেশিরভাগ রোগী ইতিমধ্যেই হাঁপানির ওষুধ সেবন করতেন। দীপাবলির দিন সন্ধ্যায় হঠাৎ তাদের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এমন কিছু রোগীও ছিলেন যাদের আগে থেকে শ্বাসকষ্ট ছিল না। দুই বছর পরে দীপাবলি আড়ম্বরপূর্ণভাবে উদযাপন করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, আতশবাজির গন্ধ পরিবেশকে বিষাক্ত করে, যার ফলে শ্বাসকষ্ট বাড়ে। জেলা হাসপাতালে জরুরি অবস্থায় দুই দিনে ২৯০ জন এবং বিআরডি মেডিকেল কলেজে ৫৬৭ জন রোগী এসেছেন। এর মধ্যে রয়েছে পোড়া, বমি-ডায়রিয়া, ফুসফুস এবং দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিসহ অন্যান্য রোগী।
অন্যদিকে জেলা হাসপাতালে নয়জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। কারও হাত, কারও মুখ পুড়ে গেছে। দীপাবলিতে আতশবাজি জ্বালাতে গিয়ে ঘটেছে এই বিপত্তি। এছাড়াও উৎসবে মদ ও অন্যান্য নেশাদ্রব্য সেবন করে বহু লোক দুর্ঘটনা ঘটিয়ে হাজির হয়েছেন হাসপাতালে। অবশ্য জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগ খোলাই ছিল। শুধু তাইই নয়, দীপাবলিতে অনিয়ন্ত্রিত খাওয়া-দাওয়া করে বমি ও ডায়রিয়ার শিকার হয়ে জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ৫২ জন ভর্তি হয়েছেন। বিআরডি মেডিকেল কলেজে এই ক’দিনে বমি ও ডায়রিয়ায় ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৫০ ও ৬৩ জন।
বি আর ডি মেডিকেল কলেজের সিএমও ডাঃ আশুতোষ কুমার দুবে জানান, “সমস্ত রোগীদের সঠিকভাবে চিকিৎসা করা হয়েছে। এর আগেও জনগণকে আতসবাজি ও অনিয়ন্ত্রিত খাওয়াদাওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছিল। আমরা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, তাই চিকিৎসায় কোনো সমস্যা হয়নি।”
