লখনউ ৭ডিসেম্বর:মাদ্রাসায় কি বিদেশি ফান্ডিং করা হয়? এবার এনিয়ে স্পেশাল ইনভেসটিগেশন টিম ইউপিতে তদন্তে নামল। ইউপির মাদ্রাসা সিটের নজরে।মাদ্রাসার আর্থিক উৎস, বিদেশি ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে এই মাদ্রাসাগুলি শাখাপ্রশাখা মেলছে কি না সেটা খতিয়ে দেখছে উত্তরপ্রদেশ সিট।এই সিটের তদন্তকারী টিমে রয়েছে, এডিজি এটিএস মোহিত আগরওয়াল, এসপি সাইবার ক্রাইম ডঃ ত্রিবেণী সিং ও ডিরেক্টর অফ মাইনরিটি ওয়েলফেয়ার জে রিভা। এখনও পর্যন্ত ৮০টি মাদ্রাসাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেগুলি বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে অনুদান হিসাবে প্রায় ১০০ কোটি টাকা পেয়েছে৷ গত দুই বছর ধরে কয়েকটি দেশ থেকে টাকা আসছে বলে সিট মনে করছে।ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন যে সিট এখন মাদ্রাসাগুলির দ্বারা এই তহবিলগুলি কোন কাজে ব্যয় করা হয়েছিল এবং কোনও অনিয়ম ছিল কিনা তা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যে প্রায় ২৪০০০ মাদ্রাসা রয়েছে, যার মধ্যে ১৬৫০০ টিরও বেশি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড দ্বারা স্বীকৃত। .
মোহিত আগরওয়াল বলেন,“আমরা দেখব বৈদেশিক তহবিল থেকে প্রাপ্ত অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হয়েছে।এর সংক্ষিপ্ত অর্থ হল মাদ্রাসা চালানোর জন্য বা অন্য কোনও কার্যকলাপের জন্য অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করা।” আগরওয়াল বলেছেন যে রাজ্য সরকার এখনও তদন্ত শেষ করার জন্য কোনও সময়সীমা উল্লেখ করেনি৷ সূত্র জানায় যে এসআইটি ইতিমধ্যেই মাদ্রাসা বোর্ডের কাছ থেকে নিবন্ধিত মাদ্রাসার বিবরণ চেয়েছে৷যোগী আদিত্যনাথ সরকার, গত বছর, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের অস্বীকৃত মাদ্রাসার সমীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছিল।
দুই মাসের সমীক্ষা চলাকালীন, রাজ্য মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃত নয় এমন ৮,৪৪৯টি মাদ্রাসা কাজ করছে বলে দেখা গেছে। লখিমপুর খেরি, পিলিভিত, শ্রাবস্তী, সিদ্ধার্থ নগর এবং নেপাল সীমান্ত সংলগ্ন বাহরাইচ ছাড়াও এক হাজারেরও বেশি মাদ্রাসা পরিচালিত হচ্ছে।
ইউপি স্টেট মাদ্রাসা এডুকেশন বোর্ডের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এই মাদ্রাসাগুলির কাছে ধারাবাহিকভাবে বিদেশি ফান্ডিং এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে। সেই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
উত্তরপ্রদেশ মাদ্রাসা এডুকেশন বোর্ডের চেয়ারম্যান ডঃ ইফতিকার আহমেদ জাভেদ জানিয়েছেন, সিট তৈরি করা হয়েছে বলে আমাকে বলা হয়েছিল। রাজ্যের মধ্যে বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিদেশি ফান্ডিং হয়েছে বলে খবর এসেছিল। তবে সিট যে তদন্ত করছে তার পাশে রয়েছে বোর্ড। এটিএস যে তথ্য চাইছে তা সরবরাহ করার ব্যাপারে বলা হয়েছে। আমি আশাবাদী সংখ্যাগরিষ্ঠ মাদ্রাসাগুলি দেশকে ভালবাসে। তাদের উচিত এই তদন্তে সহযোগিতা করা।
