নয়াদিল্লি ৯ডিসেম্বর: সমগ্র বিশ্ব এখন ভারতের কাছে অনেক থেকে প্রত্যাশা করে, যা আগে কখনও হয়নি।এ কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ভারতের জিডিপি বৃদ্ধি ও শক্তিশালী অর্থনীতি গত ১০ বছরে গৃহীত রূপান্তরমূলক সংস্কারেরই প্রতিফলন। শনিবার ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ইনফিনিটি ফোরামের দ্বিতীয় সংস্করণে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি বলেছেন, “ইনফিনিটি ফোরামের প্রথম সংস্করণে যখন শেষবার আমাদের দেখা হয়েছিল, তখন চারিদিকে ছিল অনিশ্চয়তার সময়! প্রত্যেকেই বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল। কিন্তু এমন সময়েও ভারত স্থিতিস্থাপকতা ও অগ্রগতির এক চমৎকার উদাহরণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে!”
প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, “ভারতের বৃদ্ধির গল্প বিশ্বকে এটা বুঝিয়েছে যে যখন নীতিকে প্রধান অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, যখন সুশাসন দৃঢ়ভাবে নিশ্চিত করা হয়, যখন দেশ ও দেশবাসী অর্থনৈতিক নীতির ভিত্তি তৈরি করে, তখন ফলাফল সর্বদাই চমৎকার হয়!” প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন।
২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে দেশের জিডিপি- র বৃদ্ধি প্রত্যাশা ছাপিয়ে যেতেই উচ্ছ্বসিত প্রশংসা শোনা গিয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তরফে। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে (টুইটার) লেখেন, ‘বিশ্বব্যাপী এই কঠিন সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে দেশের জিডিপির বৃদ্ধি ভারতীয় অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ও ক্ষমতাকেই ফুটিয়ে তুলেছে।’ পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘আরও সুযোগ সৃষ্টি করা থেকে শুরু করে দারিদ্র্য দূরীকরণ ও আমাদের জনগণের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত করতে আমরা দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
ন্যাশনাল স্ট্যাটিসক্যাল অফিস)- এর তথ্য অনুসারে, চলতি আর্থিক বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে উৎপাদন খাতের বৃদ্ধির হার হয়েছে ১৩.৯ শতাংশ। যা গত আর্থিক বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ছিল -৩.৮ শতাংশ। পাশাপাশি শেষ কোয়ার্টারে কৃষি খাতের বৃদ্ধির হার হয়েছে ১.২ শতাংশ। যেখানে নির্মাণ খাতের বৃদ্ধির হার হয়েছে ১৩.৩ শতাংশ।
